মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রাকৃতিক সম্পদ

জামালপুর জেলায় উল্লেখযোগ্য কোন খনিজ সম্পদ নেই। তবে জেলার সীমান্তবর্তী বকশীগঞ্জ  উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ধানুয়া, কর্ণঝুড়া ও সাতানীপাড়ায় উন্নতমানের লাল মোটা বালি এবং পাথর পাওয়া যায়। এসব বালি ও  পাথর নির্মাণ শিল্পে ব্যবহার করা হয়। এখান থেকে প্রতিদিন ট্রাকে ট্রাকে বালি ও পাথর উত্তোলন করে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের অন্যান্য জেলায় তা রপ্তানী করা হয়। বালি ও পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িত হয়ে বহু লোকের কর্মসংস্থানের পথ সৃস্টি হয়েছে। সরকার বালি এবং পাথর মহল ইজারা দিয়ে প্রতি বছর বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় করছে। সরকারী ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বালি ও পাথর উত্তোলন করা হলে প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন অটুট থাকবে তেমনি প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু উত্তোলন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। নিম্নে কয়েকটি খনিজ সম্পদের বিবরণ দেয়া হল:

 

বালি: জামালপুর জেলার ৭ টি উপজেলাতেই যমুনা ও পুরাতন ব্রক্ষপুত্র নদের চরে  বালি পাওয়া যায়। বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের লাউচাপড়া ও সাতানীপাড়াতে এক ধরণের ছোটছোট কংকর যুক্ত মোটা লাল বালি পাওয়া যায়। তাছাড়া জামালপুর সদর উপজেলার ছনকান্দা, শরীফপুর, হামিদপুর, নান্দিনা, কানিল, নরুন্দিতেও বালি উত্তোলন করা হয়। এসব বালি নির্মাণ শিল্পের জন্য খুবই উন্নতমান সম্পন্ন। এসব বালি জামালপুর এবং শেরপুর জেলার চাহিদা মিটিয়ে তা দেশের অন্যত্র জেলাসমূহে সরবরাহ হচ্ছে ।  বালি উত্তোলন কাজে নিয়েজিত হয়ে প্রতিদিন বহু লোকের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃস্টি হয়েছে। এবস বালি থেকে সিলিকন জাতীয় উপাদান সংগ্রহ করে তা কাঁচ শিল্পেও  ব্যবহৃত হচ্ছে।  এ বালি পরিকল্পিতভাবে উত্তোলন করে  কাঁচ শিল্পের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব ।

 

পাথর : জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পাহাড়ী এলাকায় এক ধরণের পাথর পাওয়া যায় । এসব পাথর  রাস্তা, ব্রীজ এবং অট্রালিকা নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাথরগুলো খুবই উন্নত মানের বিধায় তা জামালপুরের  চাহিদা পূরণ করে  দেশের অন্যত্রও পরিবহন হচ্ছে। পাথর উত্তোলণ কাজে নিয়োজিত হয়ে এলাকার বহু লোকের কর্মসংস্থনের পথ সুগম হয়েছে।

 

মাটি : জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায়  এক ধরণের সাদা মাটি পাওয়া যায়। এসব মাটি সিরামিক শিল্পের কাঁচা মাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া জামালপুর সদর উপজেলার ছনকান্দা শরীফপুর, হামিদপুর এবং নান্দিনাতে এক ধরণের লাল মাটি পাওয়া যায়। এ মাটি ঢাকা ও নারায়নগঞ্জে বিভিন্ন কারখানায় নিয়ে তা দ্বারা ঘরের টালি এবং টালইস তৈরী হয়।