মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, জামালপুর।

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়টি জামালপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ফৌজাদারী মোড়ে অবিস্থত।

 

মাঠজরিপে মূলত: ০২ টি কাজ করা হয় যথাঃ নক্সা/ ম্যাপ প্রস্তত ও রেকর্ড প্রণয়ন। ম্যাপ/ নকশা প্রস্ততের স্তরগুলো নিম্নরুপ : বিজ্ঞপ্তি প্রচার: জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/ জমির সীমানা চিহ্নিত করে রাখার জন্য এবং জমির মালিকানার কাগজ দলিল পত্রাদি হালনাগাদ অবস্থায় কাছে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয় ট্রাভার্স সার্ভে: কোন মৌজার নক্সা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তত করার জন্য যে কাঠামো স্থাপন করা হয় তাহাই ট্রাভার্স সার্ভে। এ স্তরে মৌজা সীমানা বরাবর অনেকগুলো ট্রাভার্স ও সাব ট্রাভার্স পয়েন্ট বসানো হয় যা জিএনএসএস যন্ত্রের মাধ্যমে পৃথিবীর কোন স্থায়ী পয়েন্টের সাপেক্ষে নতুন স্থাপিত পয়েন্টের অবস্থান নির্মিত হয়। কিস্তোয়ার: এ স্তরে আমিনগণের সহায়তায় ট্রাভার্স পয়েন্টের সাহায্যে সরেজমিন মোতাবেক প্রতিটি ভূমিখন্ডের পরিমাপক্রমে তার প্রতিচ্ছবি পি-70 সিটে অংকন করা হয় যা ম্যাপ/নক্সা হিসেবেও পরিচিত। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৭ (এ) বিধি মোতাবেক কিস্তোয়ার কাজ করা হয়। খানাপুরী: এ পর্যায়ে আমিনগণ নকশায় কিস্তোয়ারকৃত প্রতিটি ভূমিখন্ডের উপর অবস্থানক্রমে পৃথক পৃথক দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড, দলিলপত্র ও দখল যাঁচাই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করেন এবং কাগজ-পত্রানুযায়ী রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়। এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিনদলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করা। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৬ বিধি মোতাবেক খানাপুরির কাজ করা হয়। বুঝারত: বুঝারত অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া। এ স্তরে খানাপুরী স্তরে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড আমিনদল কর্তৃক সরেজমিন যেয়ে ভূমিমালিকদের এরিয়াসহ খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয় যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত। পর্চা বিতরণের তারিখ নোটিশ/ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/ এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরুপ সংশোধন বা পরিবর্তনের আবশ্যক হলে নির্দ্দিষ্ট ডিসপুট ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিস্পত্তি করবেন। বুঝিয়ে দেয়া হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৭ বিধি মোতাবেক বুঝারত কাজ করা হয়। তসদিক/ এটেস্টেশন: ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নক্সায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ/ ডিসপুট দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তসদিক কাজ সম্পাদনের পর নকশা ও রেকর্ড প্রজাসাধারণের/ ভূমি মালিকগণের ৩০ দিন দেখার সুযোগ থাকে। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৮ বিধি মোতাবেক তসদিক/ এটেস্টেশন কাজ করা হয়। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দয়ের:তসদিক কাজ সম্পাদনের পর নকশা ও রেকর্ড প্রজাসাধারণের/ ভূমি মালিকগণের দেখার জন্য ৩০ দিন উন্মুক্ত রাখা হয়। এই সময়কাল উল্লেখ করে ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়। ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যাখ্যর অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণনাক্রমিক ক্রমবিকাশ করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্যও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার কোর্ট ফি লাগিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধিতে আপত্তি কেস দায়ের করা যায়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৯ বিধি মোতাবেক খসড়া প্রকাশনার (ডিপি) কাজ করা হয়। আপত্তি কেস শুনানী:ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দ্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিস্পত্তি করা হয়। আপত্তি কেসের নোটিশ পেলে আপত্তি অফিসারের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে কাগজ-পত্র ও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকে। পক্ষগণ নিজ নিজ দাবী আপত্তি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে রায়/ আদেশ কেস নথিতে লিপিবদ্ধ করে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন করবেন। সমাপ্ত হলে মৌজা ওয়ারী আপত্তি কেস শুনানী শুরু হয়। প্রতিটি আপত্তি কেসের রায়ের নকল কপি উঠানো যায়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩০ বিধি মোতাবেক আপত্তি কেস শুনানীর কাজ করা হয়। আপীল শুনানী: আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্ধপক্ষ আপীল দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ঠ আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। নির্দ্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে ঐ নকলসহ আপীল দায়ের করতে হবে। সংশ্লিষ্ঠ পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দ্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিস্পত্তি করা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩১ বিধি মোতাবেক আপীল শুনানী করা হয়। চুড়ান্ত যাঁচ: আপীল শুনানী সমাপ্ত হওয়ার পর মৌজার খতিয়ান ও নক্সা/ ম্যাপ চুড়ান্তভাবে পরীক্ষা করে খতিয়ানের ফেয়ার কপি ও ম্যাপ শীটের কালিকরণের কাজ সমাপ্ত করা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩২ বিধি মোতাবেক চুড়ান্ত যাঁচ করা হয়। চুড়ান্ত প্রকাশনা: খতিয়ান ও ম্যাপ মুদ্রণের পর রেকর্ডের চুড়ান্ত প্রকাশনা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত ম্যাপ ৩৫০ টাকা জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে। প্রকাশনা ক্যাম্পে মৌজার রেকর্ড সর্বসাধারণের অবগতি ও পরিদর্শনের জন্য ৩০ কার্যদিবস উন্মুক্ত রাখা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩৩ বিধি মোতাবেক চুড়ান্ত প্রকাশনা করা হয়। চুড়ান্ত প্রকাশনার পর খতিয়ান ও ম্যাপ সংশোধন: চুড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ান ও ম্যাপের করণিক ভুল/ তঞ্চকতা পরিলক্ষিত হলে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট ম্যানুয়াল ১৯৩৫ এর ৫৩৩ ও ৫৩৪ বিধিতে খতিয়ান সংশোধন এবং ৫৩৭ বিধিতে ম্যাপ সংশোধন করা হয়। করণিক ত্রুটি সংশোধন: প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৪২ (বি) বিধি মোতাবেক করণিক ত্রুটি সংশোধন কাজ করা হয়। জরুরি জ্ঞাতব্য: ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও ম্যাপ প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তর ভিত্তিক। নির্ভুল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন। মাঠ পর্চা সরকারীভাবে বুঝারত-তসদিক স্তরে বিনামুল্যে বিতরণ করা হয়। বিবাদ, আপত্তি ও আপীলের রায়ে রেকর্ড সংশোধিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে স্বাক্ষরে সংশোধিত পর্চা বিনামুল্যে সরবরাহ করবেন। জোনাল/ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডরুম থেকে আপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও ম্যাপের সার্টিফাইড কপি/ অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না। অধিদপ্তর হতে নির্ধারিত মুল্যে পূর্ববর্তী জরিপ যথা সিএস/ এসএ/ আরএস জরিপের ম্যাপ বা পর্চা (মজুদ থাকা সাপেক্ষে) সরবরাহ করা হয়। জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও ম্যাপ মুল্য ডিসিআর এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভুত লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা দুর্নিতীর পর্যায়ভুক্ত অপরাধ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। জরিপ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট উপ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার ও মহাপরিচালককে জানাতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য www.dlrs.portal.gov.bd ওয়েব সাইটে ভিজিট করার জন্য অনুরোধ করা হল।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

খতিয়ান

খতিয়ান প্রাপ্তি স্থান

Ø  চূড়ান্ত  প্রকাশনাকালীন সরকার নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের আওতাধীন খতিয়ান চুড়ান্ত প্রকাশনা ক্যাম্প হতে সংগ্রহ করা যায।

Ø  চূড়ান্ত প্রকাশনা সমাপনান্তে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের দপ্তরে রেকর্ড হস্তান্তর করা হয়।

Ø  রেকর্ড হস্তান্তরের পর জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুম থেকে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি(পর্চা) সংগ্রহ করা যায়।

Ø  সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক রেকর্ডের কাস্টডিয়ান।

Ø  জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুম ছাড়া অন্য কোন দ্প্তর হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি(পর্চা) সংগ্রহের সুযোগ নেই।


মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তি স্থান

মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তি স্থান
Ø  চূড়ান্ত  প্রকাশনাকালীন সরকার নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে চূড়ান্ত উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের আওতাধীন প্রকাশনা ক্যাম্প হতে মৌজা  ম্যাপ সংগ্রহ করা যায়;

Ø  চূড়ান্ত প্রকাশনা সমাপনান্তে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে রেকর্ড ভলিউমের সাথে মৌজা ম্যাপ হস্তান্তর করা হয়।

Ø  স্টক থাকা সাপেক্ষে মৌজা ম্যাপের প্রিন্টেড কপি জেলা প্রশাসকের রেকর্ডরুম থেকে সংগ্রহ করা যায়।

Ø  মৌজা ম্যাপের কাস্টডিয়ান পরিচালক(জরিপ), ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর,তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।

Ø  ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে মৌজা ম্যাপের ফটোকপি দেয়ার ব্যবস্থা আছে।

Ø  দরখাস্তের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে মৌজা ম্যাপের ফটোকপি সংগ্রহ করা যায।

Ø  মৌজা ম্যাপ ছাড়া ও অন্যান্য  ম্যাপ যেমন, থানা ম্যাপ, জেলা ম্যাপ ও বাংলাদেশ ম্যাপ ভুমি রেকর্ড ও জরিপ অদিদপ্তর হতে সংগ্রহের সুযোগ আছে।

অন্যান্য ম্যাপ :

Ø  মৌজা ম্যাপ ছাড়াও নিম্নবর্ণিত ম্যাপসমূহ পরিচালক(জরিপ), ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, হতে সংগ্রহ করা যায়।

Ø  থানা ম্যাপ(মুদ্রিত)।

Ø  জেলা ম্যাপ (মুদিত), সাদা-কালো।

Ø  জেলা ম্যাপ (মুদ্রিত), রঙিন।

Ø  বাংলাদেশ ম্যাপ, (মুদ্রিত)।

প্রয়োজনীয় ফি:

Ø  বিভিন্ন রকমের ম্যাপ ও খতিয়ানের বিক্রয়মূল্য নিম্নে প্রদত্ত হলো:

০৬

বাংলাদেশ ম্যাপ (মুদ্রিত)

 

ক্রমিক নং

আইটেমের নাম

সরকার নির্ধারিত মূল্য

০১

মৌজা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৩৫০/-

০২

মৌজা ম্যাপ (ফটোকপি)

৩০০/-

০৩

থানা ম্যাপ(মুদ্রিত)

৫০০/-

০৪

জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত), সাদা-কালো

৫০০/-

০৫

জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত), রঙিন

৭৫০/-

০৬

বাংলাদেশ ম্যাপ (মুদ্রিত)

১,২৫০/-

ছবি নাম মোবাইল
মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল 017115458326

ছবি নাম মোবাইল
মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল 017115458326

ছবি নাম মোবাইল

0

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়টি জামালপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ফৌজাদারী মোড়ে অবিস্থত।