মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

  • প্রোফাইল
  • দায়িত্বের বিবরণ
  • কর্মসূচি
  • দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখাসমূহ

দায়িত্বের বিবরণ

এডিসি (রাজস্ব) এর আওতায় শাখা:

 

১) স্টেট একুইজিশন শাখা (এস.এ)

২) ভুমি অধিগ্রহণ শাখা (এল.এ)

৩) রেভিনিউ মুন্সীখানা শাখা (আর.এম)

৪) জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা

৫) রেকর্ড রুম শাখা

 

এডিসি (রাজস্ব) এর কার্যক্রম:

১. জেলাধীন জলা ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ

২. উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ/পুন:নির্মাণ ও মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ

3.  সরকারী খাস জমি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন

4.  কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তের ব্যবস্থা গ্রহণ

5. অকৃষি খাস জমি বন্দোবস্তের ব্যবস্থা গ্রহণ

6.  সায়রাত মহালের ব্যবস্থাপনা ও ইজারার ব্যবস্থা গ্রহণ

৭. ভূমি উন্নয়ন করের দাবী নির্ধারণ, কর হ্রাস ও মওকুফকরণ

৮. ওয়াক্ফ ও দেবোত্তর সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা

৯.  রেকর্ড সংশোধনের ব্যবস্থাপনা

১০. অর্পিত ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা

১১. ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়নকালে জরিপ কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান

১২.  ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ

১৩.  দেওয়ানী মামলা ব্যবস্থাপনা

১৪.  স্ট্যাম্প এ্যাক্ট এর আওতায় মামলা পরিচালনা (অবমূল্যায়ন মামলা)

১৫.  আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) সংক্রান্ত

১৬. বিনিময় সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা

১৭.  সরকারী পাওনা আদায় আইন-১৯১৩ এর আওতায় সার্টিফিকেট মামলার আপিল শুনানী

১৮. উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ

১৯.  রাজস্ব আপীল শুনানী ও নিস্পত্তিকরণ

২০. গুচ্ছ গ্রাম, আদর্শ গ্রাম, আবাসন ও আশ্রয়ণ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম গ্রহণ

২১.  রাজস্ব কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরূদ্ধে শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গোপনীয় প্রতিবেদন প্রেরণ

২২. ভূমি রাজস্ব সম্পর্কিত রিপোর্ট/রিটার্ণ মাসিক ও বাৎসরিক ভিত্তিতে সরকারের নিকট প্রেরণ

২৩.সরকার কর্তৃক সময় সময়ে প্রদত্ত রাজস্ব সংক্রান্ত কার্যাবলী ও পলিসি বাস্তবায়ন

 

স্টেট একুইজিশন শাখার (এস.এ) নাগরিক সেবা:

 

১.         কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৭ মোতাবেক উপজেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্তকমিটি কর্তৃক নির্বাচিত ভূমিহীনদের (অনুকূলে বন্দোবস্ত নথি সৃজনক্রমে এ অফিসে প্রেরণ করা হয়। প্রাপ্ত নথি/নথিসমূহ পরবর্তী মাসিক জেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির সভায় উপস্থাপিত হয়। সৃজিত নথিতে কোন ত্রুটি না থাকলে জেলা কমিটির সভায় অনুমোদিত হয়। অনুমোদনের পর বিধি মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য নথি উপজেলায় ফেরত দেয়া হয়

২.     অকৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৫ মোতাবেক অকৃষি খাস জমি শিক্ষা/ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান/সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং কোন কোন ক্ষেত্রে মন্ত্রণালেয়র সম্মতি ইজারা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঐ সকল  ইজারা নথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হতে পাওয়ার পর নীতিমালা মোতাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) যুক্তিসংগত সময়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বন্দোবস্ত প্রদানে সরকারের কোন স্বার্থের হানি না হলে নথি চূড়ান্ত অনুমোদনের নিমিত্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য নথি  উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করা হয়

৩.       জামালপুর পৌর এলাকার অর্পিত সম্পত্তির একসনা লীজ/লীজ নবায়নের আবেদন প্রাপ্তির ১ (এক) দিনের মধ্যে নথিতে উপস্থাপন করা হয় এবং তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নবায়ন করা হয়

৪.        বাজার ভিটি একসনা লীজ নথি সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে সৃজিত হয়। প্রকৃত ব্যবসায়ীর অনুকূলে সর্বোচ্চ ০.০০৫ (আধা শতাংশ বা ২০ বর্গমিটার) একর ভূমি একসনা ভিত্তিতে লীজ প্রদানের বিধান রয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি)/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশ্চিত হয়ে অনুমোদিত পেরিফেরী বাজার ভিটি লীজ প্রস্তাব এ অফিসে প্রেরণ করেন। কোন অভিযোগ কিংবা নথিতে কোন ত্রুটি না থাকলে নথি অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে বিধি মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ফেরত দেয়া হয়

 

৫.        ২০ একরের উর্দ্ধে জলমহাল এ কার্যালয় হতে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০০৯ মোতাবেক ইজারা প্রদানের কার্যক্রম গৃহিত হয়। সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০০৯ মোতাবেক জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি আলাপ-আলোচনা তথা সমঝোতার ভিত্তিতে ৩ (তিন) বছর মেয়াদে স্থানীয়ভাবে নিবন্ধিত প্রকৃত মৎস্যজীবি সংগঠন/সমিতিকে বন্দোবস্ত প্রদান করেন। বিগত ৩ (তিন) বৎসরের ইজারা মূল্যের গড় নির্ধারণ করে এর উপর ৫% বর্ধিত হাবে ইজারা মূল্য ধার্য্য করে সরকারি ইজারা মূল্য নির্ধারিত হবে এবং এর কম মূল্যে কোন সরকারি জলমহাল ইজারা দেয়া যাবে না। যদি গত ৩ (তিন) বৎসরের ইজারা মূল্য না পাওয়া যায় তবে নিয়ম মোতাবেক জেলা প্রশাসক উক্ত জলমহালের/ জলমহালসমূহের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করবেন। জেলা প্রশাসক প্রতি বৎসর মাঘ মাসে বন্দোবস্তযোগ্য জলমহালগুলোর তালিকা (তফসিলসহ) তৈরি করে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসের নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন। জেলা প্রশাসক নিবন্ধিত প্রকৃত মৎস্যজীবি সমিতির নিকট জলমহাল বন্দোবস্ত দেয়ার জন্য আবেদন আহবান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। আবেদন ফরম (পরিশিষ্ট- ক) যার মূল্য ৫০০/-(পাঁচ শত) টাকা অফেরতযোগ্য এবং এই অর্থ সরকারি নির্দিষ্ট কোডে (জলমহাল ও পুকুর ইজারা- ১/৪৬৩১/০০০০/১২৬১) জমা করতে হবে। পরবর্তীতে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০০৯ মোতাবেক বন্দোবস্ত প্রদান করা হবে

 

৬.       সরকারি ভূমি অবৈধ দখল উদ্ধারের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) হতে প্রস্তাব/নথি পাওয়া গেলে ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে নথি পেশ করা হয়। সরকারি প্রচলিত নিয়মানুযায়ী ৭/৩০ দিনের সময় দিয়ে অবৈধ দখলকারকে নোটিশ প্রদান করা হয়। অতঃপর অবৈধ দখলকার/স্থাপনা উচ্ছেদ/অপসারণের নিমিত্ত ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়। পুলিশ ফোর্স প্রাপ্যতা ও সুবিধাজনক সময়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়

 

৭.         সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কোন আপিল/আপত্তি আবেদন পাওয়া গেলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে পক্ষদ্বয়ের শুনানী পর এবং তাদের দাবির অনুকূলে প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্রাদি পর্যালোচনা করে রায় প্রদান করা হয়

 

৮.        সরকারি খাস জমি স্থায়ী/অস্থায়ী বন্দোবস্ত সংক্রান্ত সকল প্রকার নথি এবং নামজারি জমাখারিজ সংক্রান্ত নথি উপজেলা ভূমি অফিসে সংরক্ষণ করা হয়

৯.        জেলার প্রতিটি হাট-বাজার এবং কুল ঘাটে প্রতি ২ (দুই) বৎসরের জন্য টোল আদায়ের হার নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত টোল হার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। হাট-বাজার এবং কুল ঘাটের টোল হার ইজারাদারকে অবহিতকরণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে যাতে ইজারাদার হাট-বাজার এবং কুল ঘাটের প্রকাশ্য স্থানে টানিয়ে রাখেন

 

ভূমি অধিগ্রহণ শাখার (এল.এ) নাগরিক সেবা:

 

১. প্রত্যাশী সংস্থা কর্তৃক ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে নথিতে   উপস্থাপন করা হয়

২.অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক ভূমির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয় ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে

৩. জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয় ৭ (সাত) দিনের মধ্যে

৪. কমিটির অনুমোদনের পর অধিগ্রহণ কেস সৃজন করা হয় ৩ (তিন) দিনের মধ্যে

৫. ৩ ধারা মতে নোটিশ প্রদান করা হয় কেস সৃজনের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে

৬. ৩ ধারা নোটিশ জারীর ৩ (তিন) দিনের মধ্যে যৌথভাবে সরেজমিনে তদন্ত ও ফিল্ডবুক তৈরী এবং প্রস্তাবিত ভূমির ভিডিও চিত্র ধারণ ও সংরক্ষণ করা হয়

৭. ৩ ধারা নোটিশ জারীর পরবর্তী ১৫ (পনের) দিন পর্যন্ত অধিগ্রহণ কার্যক্রমের বিরুদ্বে আপত্তি জানানোর সুযোগ দেয়া হয়।আপত্তি না হলে ৫০ বিঘা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক অনুমোদন প্রদান করেন, আপত্তি হলে  চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে নথি প্রেরণ করা হয়। ৫০ বিঘার উর্দ্ধে হলে আপত্তি থাকলে বা না থাকলে অনুমোদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়

৮. চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ৬ ধারা মতে নোটিশ প্রদান করা হয়

৯. অতঃপর বিধি মোতাবেক জমির মূল্যহার, অবকাঠামো ও গাছপালার মূল্য সংগ্রহ পূর্বক প্রাক্কলন প্রস্ত্তত করা হয় এবং জেলা প্রশাসক কর্তৃক অনুমোদিত প্রাক্কলন প্রত্যাশী সংস্থার বরাবর প্রেরণ করা হয়

১০. প্রাক্কলন প্রাপ্তির ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে প্রত্যাশী সংস্থাকে অর্থ ছাড় করতে বলা হয়, অন্যথায় এল.এ. কেস আপনা আপনি বাতিল হয়

১১. প্রাক্কলিত অর্থ পাওয়ার পর রোয়েদাদ প্রস্ত্ততক্রমে ভূমির মালিক বরাবর ৭ ধারা মতে নোটিশ প্রদান করা হয়

১২. জেলা প্রশাসক কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত ভূমির অবকাঠামোর দখল গ্রহণ পূর্বক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে প্রত্যাশী সংস্থার নিকট দখল হস্তান্তর করা হয়

১৩. দখল হস্তান্তরের পর ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অধিগ্রহণকৃত ভূমির গেজেট প্রকাশনার জন্য প্রেরণ করা হয়

১৪. গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশনার পর অধিগ্রহণকৃত ভূমি প্রত্যাশী সংস্থা বরাবর নামজারী জমা খারিজের জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বরাবর ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রেরণ করা হয়

১৫. নামজারী জমা খারিজ সমাপ্তির পর পর এল.এ. কেসের হিসাব সমন্বয় করে কেস সংরক্ষণের জন্য জেলা রেকর্ড রুমে প্রেরণ করা হয়

 

অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিপূরণ প্রদানের কার্যক্রমঃ

 

১৬. ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির আবেদন ১ (এক) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কানুনগোর নিকট যাচাই বাছাই করার জন্য প্রেরণ করা হয়। কানুনগো ন্যুনতম ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন

১৭. কানুনগো কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদন অনুমোদিত হলে পরবর্তী ১ (এক) দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়

 

রেভিনিউ মুন্সীখানা শাখার নাগরিক সেবা :

 

১. দেওয়ানী মামলার রায় ও ডিক্রি প্রাপ্তির পর স্বার্থবান ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদন সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন

২. উপজাতিদের জমি হস্তান্তরের আবেদন সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন

৩. পরিত্যক্ত সম্পত্তি ইজারা কার্যক্রম দ্রুততার সাথে নিস্পত্তিকরণ

৪. আবেদন ও Power of Attorney-এর মূল কাগজপত্র প্রাপ্তির সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন

৫. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) দপ্তর কর্তৃক যাচাই প্রতিবেদন প্রাপ্তির সর্বোচ্চ ৩  কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন

৬. আঠালো স্ট্যাম্প ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর স্বাক্ষরের পরে চাহিদামাত্র সরবরাহের ব্যবস্থা

 

জেনারেল সার্টিফিকেট শাখার নাগরিক সেবা:

 

১. সরকারী,আধা-সরকারী,স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাওনা আদায়ের জন্য সরকারী দাবী আদায় আইন-১৯১৩ এর বিধান মতে সার্টিফিকেট মামলা দায়ের এবং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়

২. ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা রুজুর পর তাদের নামীয় ইস্যুকৃত প্রসেসসমূহ উপজেলা নির্বাহী অফিস এবং নেজারত শাখার জারীকারকের মাধ্যমে ন্যুনতম ৭ কর্মদিবসে জারী করা হয়ে থাকে

৩. খাতকগণের নামীয় গ্রেফতারী পরোয়ানাসমূহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ কর্তৃক তামিল করা হয়ে থাকে

 

রেকর্ড রুম শাখার নাগরিক সেবা:

 

১. প্রতিদিন (বৃহস্পতিবার বাদে) সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ১২.৩০ টা পর্যন্ত নকলখানায় আবেদন গ্রহণ করা হয়

২. আবেদনে উল্লিখিত খতিয়ান/অন্যান্য সার্টিফাইড কপি/মৌজা নকশা সরবরাহের তারিখে আবেদনকারীকে সীল মোহরকৃত রশিদে জানিয়ে দেয়া হয়

৩. প্রস্ত্ততকৃত খতিয়ান/অন্যান্য সার্টিফাইড কপি/মৌজা নকশা নির্ধারিত তারিখ বিকাল ৩.৩০ টা থেকে বিকাল ৪.৩০ টা পর্যন্ত আবেদনকারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়

৪. কোন কারণে আবেদন বাতিল হলে বা বিবেচনা করা না গেলে তা বিতরণের সময় আবেদনকারীকে জানিয়ে দেয়া হয়

৫. মৌজা নকশার  জন্য সাধারণ আবেদনের জন্য ৫.০০ (পাঁচ) টাকা, জরুরী আবেদনের জন্য ১০.০০ (দশ) টাকার কোর্ট ফি দিয়ে আবেদন করতে হয়। আবেদন বিবেচনা করা গেলে নকশা প্রতি ৩৫০.০০ টাকার কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। সরবরাহের নির্দিষ্ট তারিখে নকশা সরবরাহ করা হয়।

 

 

কর্মসূচি

দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখাসমূহ